![]() |
| বক্তব্য রাখছেন:চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ নেতা এম কাইছার উদ্দীন |
৯ জানুয়ারি চকবাজার কাচা বাজারের সামনে
‘বাংলা প্রচলন উদ্যোগ’ এর উদ্যোগে নামফলকসহ রাষ্ট্রের সর্বস্থরে বাংলা ভাষার
ব্যবহারের দাবিতে দুটো পথসভা অনুষ্টিত হয়।শেখ গোলাম মোহাম্মদ রাজুর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুদ্ধকালীন চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম কমান্ডার
বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু আজীবন বাংলা ভাষাকে
প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়েছেন। স্বাধীনতার পর সংবিধানে তিনি বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা
বলে ঘোষণা করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালে বাংলা ভাষা প্রচলন আইন হয়েছে। আইনের
প্রয়োগ না হওয়ায় ২০০৪ সালে বাংলা ভাষা প্রচলনের জন্য উচ্চ আদালত রায় দিয়েছেন। বিশেষ
করে সকল নাম ফলক, মিডিয়ার সকল বিজ্ঞাপনে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামুলক করতে
নির্দেশ দিয়েছেন। বাংলা প্রচলন উদ্যোগ আইন ও আদালতের নির্দেশের কপি সিটি কর্পোরেশন
ও জেলা প্রশাসনে জমা দিয়েছে। সিটি কর্পোরেশন ও জেলা প্রশাসনে বিভিন্ন সময়ে ধর্না
দেয়া হয়েছে। তারা দুই একদিন অভিযান চালিয়ে তা স্থগিত করে দিয়েছেন। এরপর আবারো
তাগাদা দেয়া হয়েছে। কিন্তু দুই প্রশাসনই এই ব্যাপারে নির্বিকার। আমরা আশা করবো জেলা
প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশন আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে যথাযথ ভূমিকা রাখবেন । মিছিল
শেষে চকবাজার মতি কমপ্লেক্সের সামনে আরেক পথসভা অনুষ্ঠিত হয় কাজী রাজেশ ইমরান এর
সভাপতিতে।সভাসমুহে আরো বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো শফি খান,বীর মুক্তিযোদ্ধা
সুজাঋদ্দৌলা বাবুল, সোলায়মান খান, শিল্পী মো. ইউনুছ, জসিমউদ্দিন মোবারক, মশিউর
রহমান খান ,আবুল বাসার হেলাল, হাসিনা আকতার টুনু, ভাস্কর চৌধুরী,লিটন ব্যানার্জি,
হাজী এজাহার মিয়া, চৌধুরী জসিমুল হক, সায়েমউদ্দিন, মো জানে আলম, আবদুল মাবুদ,
নারায়ন দাস,এম কাইছার উদ্দীন,জাঙ্গির আলম জুনায়েদ,মোর্শেদ আলম, মো .জুনায়েদ, দিপ্ত
নন্দী , শাহরিয়ার তানিম, মুনতাসির মাহমুদ দুর্জয় সাহা, নাজের হোসেন জিশান, মো
ইয়ারুপ, ওয়াহিদ জামান সুমির প্রমুখ। সভা দুটির সঞ্চালনায় ছিলেন আবৃতি শিল্পী
দিলরুবা খানম। বক্তারা প্রশ্ন রেখে বলেন রাষ্ট্রের সব পর্যায়ে বাংলাভাষার প্রচলনই
এখনো হয়নি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন হয়েছে বা হচ্ছে কিভাবে!

0 Comments