বাংলা প্রচলন উদ্যোগ-চট্টগ্রাম
বাংলাকে রাষ্ট ভাষা করার জন্য যে ভাষা আন্দোলনের সৃষ্টি হয়েছিল,সে ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ভীত তৈয়ার করেছিল।দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।
এম কাইছার উদ্দীনস্বাধীন হয়েছে বলেই আজ ব্যবসা বানিজ্য শিল্প কারখানাসহ নানান ধরনের প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছে এদেশের মানুষ,স্বাধীন না হলে এত দিনে আমাদের স্হান কোথায় হতো তা সহজে অনুমেয়। আজ রাষ্ট্রপ্রতি,প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সচিব,জেনারেল সহ উচুপদের সবাই বাংলা ভাষাভাষী বাংগালী।
তাই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ছিল -বাংলা ভাষাকে সর্বোচ্চ সন্মান দিয়ে সব কাজ পরিচালনা করা,শিক্ষাসহ রাষ্ট্রের সব স্তরে বাংলাকে প্রতিষ্টা করা, বাংগালী সংস্কতির প্রসার ঘটানো। কিন্তুু হচ্ছে তার উল্টো।
আমাদের ফিরে আসতে হবে নিজ ঠিকানায়।
১৯৭২ এর সংবিধানে বাংলাকে রাষ্টভাষা করা হয়, ১৯৮৭সালে সর্বস্তরে বাংলা ব্যবহারের আইন করা হয়,২০১৪সালে সর্বোচ্চ আদালত নামফলকসহ প্রতিষ্ঠানের সব কাজে( বিদেশের সাথে যোগাগাযোগ করা ছাড়া)বাংলাভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে রায় দেয়, আমরা অবলীলায় সংবিধান,আইন,আদালত সব কিছুকেই অমান্য করছি। এটা চলতে দেয়া যায় না।
তাই জোর দাবী আগামী বছরের(২০২৪) একুশ ফেব্রুয়ারির
আগেই আপনার প্রতিষ্ঠানের নামফলক বাংলায় লিখুন।
প্রয়োজন হলে ৬০ ভাগ বাংলায়৪০ ভাগ ইংরেজী বা অন্যকোন ভাষায় লিখতে পারেন।
এটা সংবিধান,আইন,আদালতের নির্দেশনা।
আমরা এর পক্ষে আবারও মাঠে নামবো,আশা করি আপনিও আমাদের আহ্বানে সাড়া দিবেন।

No comments